ব্যাংককের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ।
ফাঁস হওয়া ওই ফোনালাপে পায়েতংগার্ন, থাই সেনাবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে তুচ্ছ করার ইঙ্গিত দেন এবং হুন সেনকে বিরোধী পক্ষের কথা না শোনার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে গত ২৮ মে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে সংঘর্ষে এক কম্বোডিয়ান সেনার মৃত্যু ঘিরে যে সেনা কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন, তার কথাই তিনি ফোনে উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য অনেকের চোখে দেশের স্বার্থবিরোধী বলে মনে হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা ব্যাংককের ভিক্টরি মনুমেন্ট ঘিরে অবস্থান নিয়ে শিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ অভিযোগ তুলেছেন। তারা বলছেন, একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদেশি নেতার কাছে এমন মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, থাই রাজনীতিতে শিনাওয়াত্রা পরিবারের দীর্ঘদিনের আধিপত্য ও সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক চাপে সরকার আগেই চাপের মুখে ছিল। এখন ফাঁস হওয়া এই ফোনালাপ এবং সীমান্ত নিয়ে সেনাবাহিনীর অসন্তোষ পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করেছে।
এদিকে, কম্বোডিয়ার রাজনীতিতে এখনও প্রভাবশালী সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেন এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও, কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন বিতর্কের সূচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে তারা ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। সরকার এই সংকট কীভাবে মোকাবেলা করে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
মতামত দিন