জাপানে ‘টুইটার কিলার’ তাকাহিরোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর।
২০১৭ সালে কানাগাওয়া প্রদেশের জামা শহরে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে আটজন নারী ও একজন পুরুষকে হত্যা করেন ৩৪ বছর বয়সী তাকাহিরো। পরে নিহতদের মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজ ও কুলার বক্সে সংরক্ষণ করতেন তিনি। নিহতদের বয়স ছিল ১৫ থেকে ২৬ বছরের মধ্যে।
আদালতের শুনানিতে তাকাহিরো স্বীকার করেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও আত্মহত্যাপ্রবণ তরুণ-তরুণীদের খুঁজে বের করতেন। আত্মহত্যায় সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের নিজের বাসায় ডেকে এনে পরে হত্যা করতেন। এ কারণে তাকে ‘টুইটার কিলার’ নামে ডাকা হয়।
জাপানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে দণ্ডপ্রাপ্তদের বিষয়টি অজানা থাকে। এমনকি পরিবারকেও আগে জানানো হয় না। সর্বশেষ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে জাপানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।
শিরাইশির এই শাস্তি কার্যকরের পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে শাস্তির যৌক্তিকতা মেনে নিলেও আবার কেউ কেউ জাপানে মৃত্যুদণ্ডের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

মতামত দিন