আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি হস্তক্ষেপে নোবেল শান্তি পুরস্কারে মনোনয়ন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসাধারণ ভূমিকার জন্য তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা বাডি কার্টার এই মনোনয়ন দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকস জানিয়েছে, বাডি কার্টার নোবেল কমিটিকে একটি চিঠিতে বলেন, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, যা অনেকেই অসম্ভব মনে করেছিল। তিনি ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রোধের জন্য সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এবং পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ইরানকে বিরত রেখেছেন।

কার্টার আরও বলেন, “ট্রাম্পের নেতৃত্ব ঐতিহাসিক বৈরিতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভুগমান অঞ্চলে শান্তির জন্য সাহস ও স্পষ্ট অবস্থান প্রদর্শন করেছে।” তাই তিনি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বিবেচনার আহ্বান জানান।

ট্রাম্পের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন এটাই প্রথম নয়। এর আগে ক্যালিফোর্নিয়ার রিপাবলিকান ড্যারেল ইসা তাকে মনোনীত করেছিলেন, যুক্তি দিয়ে যে তার ২০২৪ সালের নির্বাচনী জয় বিশ্ব শান্তির ওপর প্রভাব ফেলেছে।

২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য এখন পর্যন্ত ৩৩৮ জন প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন।

গত ২৩ জুন ট্রাম্প ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ শেষের ঘোষণা দেন এবং রাত ১২টার পর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। যদিও সেই সময় দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়।

১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রথম হামলা চালায়। এক সপ্তাহ ধরে পাল্টাপাল্টি হামলার পর পরিস্থিতি যুদ্ধে রূপ নেয়। ট্রাম্প ইরানকে আলোচনায় বসার জন্য চাপ দেন, কিন্তু ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দেয়।

আলোচনার টেবিলে না বসায় এক সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। এর পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে রকেট হামলা চালায়। পরে ট্রাম্প সংঘাত বন্ধের ঘোষণা দিয়ে দুই দেশকে শান্তির পথে হাঁটার আহ্বান জানান।

এর আগে পাকিস্তান সরকারও ট্রাম্পকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য সুপারিশ করেছিল, ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের স্বীকৃতিস্বরূপ।

মতামত দিন