ফোরদো কেন্দ্র ছিল খালি, দাবি ইরান স্পিকারের উপদেষ্টার।
রোববার (২২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, হামলার বিষয়টি আগেই আঁচ করা গিয়েছিল।
তিনি লেখেন, “জ্ঞানকে বোমা দিয়ে ধ্বংস করা যায় না এবং যারা এই বাজি খেলেছে—তাদের এবার হার নিশ্চিত।”
তবে এখনো ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করে হামলার দায় স্বীকার করেনি। যদিও দেশটির পরমাণু স্থাপনাগুলো—ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহানে হামলার ঘটনা স্বীকার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার (২২ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টার দিকে তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, “আমরা ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় সফলভাবে অভিযান চালিয়েছি। সব বিমান নিরাপদে ফিরে এসেছে এবং আকাশসীমা ছাড়িয়ে গেছে।”
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের তরফে ফোরদো খালি থাকার দাবি এবং ট্রাম্পের হামলার ঘোষণার মধ্যে ব্যবধান থাকলেও পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
মতামত দিন