ইসরায়েলকে অস্ত্র দিলে টার্গেটে পড়বে তারাও, হুঁশিয়ারি দিল ইরান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলে তাদের রাডার নেটওয়ার্ক এবং প্রতিরক্ষা ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অস্ত্র ও গোলাবারুদেরও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তারা সরাসরি সহযোগিতা পাচ্ছে।
ইরানি সদর দফতর জানায়, আকাশপথ বা সমুদ্রপথে ইসরায়েলকে যে কোনো ধরনের সামরিক সহযোগিতা—বিশেষ করে অস্ত্র, রাডার বা যুদ্ধ উপকরণ পাঠানো হলে—সেই দেশ ইরানের বৈধ টার্গেটে পরিণত হবে। আগ্রাসনে যুক্ত থাকার দায় তাদের বহন করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালায়। এসব হামলায় প্রায় ৪০০ জন ইরানি নিহত হন, যাদের মধ্যে ছিলেন সামরিক কর্মকর্তা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সাধারণ বেসামরিক মানুষ।
পরবর্তীতে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৩’-এর আওতায় ২১ জুন পর্যন্ত ইসরায়েলে অন্তত ১৮টি পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সর্বশেষ, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে নিজেই ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হামলায় ইসরায়েল প্রকাশ্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এবং ট্রাম্পকে প্রশংসায় ভাসায়।
তবে মার্কিন অভ্যন্তরেও এ হামলা নিয়ে মতভেদ দেখা গেছে। শান্তিকামী নাগরিক ও ডেমোক্র্যাট নেতারা ট্রাম্পের একতরফা সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলছেন—“নো মোর ওয়ার”।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, কেসিএইচকিউ’র হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাবে কিনা, তা এখন ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপেই নির্ভর করছে। বিশ্ব সম্প্রদায় তাকিয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্যের দোলাচলপূর্ণ পরিস্থিতির পরবর্তী দিকে।
মতামত দিন