যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানের কড়া প্রতিক্রিয়া, হুঁশিয়ারি দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি এই হামলাকে ‘চিরস্থায়ী পরিণতির’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিত এই ধরনের বিপজ্জনক ও বেআইনি আচরণের বিরুদ্ধে সতর্ক হওয়া।
আরাগচির ভাষায়, “একটি জাতির সার্বভৌমত্বে এমন নগ্ন হস্তক্ষেপ শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকিস্বরূপ। ইরান নিজের স্বার্থ ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।”
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলাকে 'অত্যন্ত সফল' বলে আখ্যা দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানান, ইরানের ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে অভিযান চালানো হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমানগুলো নিরাপদে ফিরে এসেছে।
ইরানের সামরিক কমান্ড কেন্দ্র ‘খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতর’ (কেসিএইচকিউ) এক বিবৃতিতে জানায়, যারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেবে, তারা ইরানের সরাসরি শত্রু হিসেবে বিবেচিত হবে এবং উপযুক্ত সময়ে জবাব পাবে।
এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইরান তাদের কৌশলগত অবস্থান কীভাবে নির্ধারণ করে, সে দিকে এখন নজর বিশ্ব সম্প্রদায়ের। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি যে কোনও মুহূর্তে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে যদি কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে উত্তেজনা প্রশমিত না হয়।

মতামত দিন