যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায়, নিউইয়র্কে বাড়তি নিরাপত্তা।
এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে এনওয়াইপিডি জানায়, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তারা সর্বোচ্চ নজরদারির মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় উপাসনালয়, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমের স্থানগুলোতে সুরক্ষা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রেখে চলছে।
বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর নিউইয়র্কের প্রায় ৮০ লাখ মানুষ—এই উত্তেজনার কোনো প্রতিক্রিয়া স্থানীয়ভাবে তৈরি হচ্ছে কি না, তা নজরে রেখেছে এনওয়াইপিডি।
এদিকে এই সংঘাতকে কেন্দ্র করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইরানে সামরিক হামলার ঘটনায় আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। এমনিতেই অস্থির মধ্যপ্রাচ্যে এটি একটি ভয়াবহ নতুন অধ্যায় সূচিত করল, যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।”
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই পরিস্থিতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনা হয়, তাহলে তা সহিংস সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যার পরিণতি হবে সাধারণ মানুষের জন্য বিপর্যয়কর।
সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, “এই সংকটের সামরিক সমাধান নেই। একমাত্র পথ হলো—সংলাপ ও কূটনীতি। এই সময় শান্তিই হতে পারে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”

মতামত দিন