যুক্তরাষ্ট্রের ইরান হামলার পর ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ফোনালাপ।
সিবিএস জানায়, হামলার বিষয়টি ছিল পূর্বনির্ধারিত এবং যুক্তরাষ্ট্র হামলার আগে থেকেই ইসরায়েল সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে কাজ করেছে। হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, “এই অভিযান দুই দেশের সর্বোচ্চ সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরের সমন্বয়ের ফসল।”
হামলায় ব্যবহৃত হয় মার্কিন বাহিনীর বিশেষ প্রযুক্তির ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা, যা পাহাড় বা গভীর ভূগর্ভস্থ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। লক্ষ্যবস্তু ছিল ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহান—ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, “ফোরদোতে পূর্ণ শক্তিতে আঘাত হানা হয়েছে, মিশন সম্পূর্ণ। এখন সব বিমান ইরানের আকাশসীমার বাইরে।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, “এই অপারেশনের মাধ্যমে প্রমাণ হলো, বিশ্বের আর কোনো বাহিনী এমন নিখুঁত আঘাত হানতে পারত না। এখন সময় শান্তির।”
ফোরদো কেন্দ্রটি ইরানের সবচেয়ে গোপন এবং অগম্য পরমাণু স্থাপনাগুলোর একটি। কোম প্রদেশের পাহাড়ের গভীরে নির্মিত এই স্থাপনাটিকে বহু বছর ধরে ‘অসম্ভব টার্গেট’ হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু এবার সেখানে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির দাবি করা হচ্ছে।
এদিকে, ইসরায়েলি সরকার হামলার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও নেতানিয়াহু-ট্রাম্প ফোনালাপ ও অপারেশনের সময়সাজস থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ পরিকল্পনার অংশ।
পরিস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা বাড়লেও ট্রাম্প বারবার জোর দিয়ে বলছেন—“এই অভিযান ছিল প্রতিরোধমূলক এবং এর লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের বড় সংঘাত এড়ানো।”
মতামত দিন