কঠিন সময় কাটিয়ে উঠবে ইরান, আশাবাদী প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।
দেশের মন্ত্রিপরিষদ ও সরকারি এজেন্সিগুলোর উদ্দেশে প্রেসিডেন্ট বলেন, “জাতির স্বার্থে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এখন কোনো কিছুতেই নিরুৎসাহিত হলে চলবে না। আমাদের একতাবদ্ধ হয়ে, সহানুভূতি ও সংহতির ভিত্তিতে এগোতে হবে।”
এর আগের রাতে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাতাঞ্জ শহরের একটি পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। আইডিএফ-এর দাবি, স্থাপনাটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হতো এবং সেখানে এমন প্রযুক্তি ও উপকরণ রয়েছে, যা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি দ্রুততর করতে পারে।
নাতাঞ্জের এই কেন্দ্রটি ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মূল কেন্দ্রগুলোর একটি, যা বাংকার-নির্ভর স্থাপনায় অবস্থিত। ২০০২ সালে কেন্দ্রটির অস্তিত্ব প্রকাশ্যে আসে। এখানে বহু সংখ্যক সেন্ট্রিফিউজের মাধ্যমে সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া চলে বলে জানা যায়।
এছাড়া, ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। হোলোন, রামাতগন ও তেল আবিব শহরে চালানো এসব হামলায় হোলোনে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং রামাতগনে আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। ইসরায়েলের জরুরি সেবাসংস্থাগুলোর তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ইরানি হামলায় আহতের সংখ্যা ৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, এটি ছিল তাদের ১৪তম ‘সমন্বিত প্রতিরোধমূলক সামরিক আক্রমণ’, যার লক্ষ্য ছিল শত্রুপক্ষের ‘অবৈধ পারমাণবিক ও সামরিক অবকাঠামো’।
মতামত দিন