“আপনার পাশে মুসলিম বিশ্ব”—ইরানি প্রেসিডেন্টকে সৌদি যুবরাজ।
ফোনালাপে এমবিএস স্পষ্ট করে বলেন, ইসরায়েল এখন ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা বাড়িয়ে এমন এক সংঘাতে পরিণত করতে চায়, যাতে যুক্তরাষ্ট্রকেও সরাসরি জড়ানো যায়। তার মতে, “তেলআবিবের লক্ষ্য হচ্ছে—ওয়াশিংটনকে এই যুদ্ধে টেনে আনা। তবে সৌদি আরব বিশ্বাস করে, ইরান এই পরিকল্পনা বিচক্ষণভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।”
ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এই প্রেক্ষিতে জানান, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই কূটনৈতিক প্রয়াস শুরু করেছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলের একের পর এক উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড সেই চেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, “সৌদি আরব ও ইরান পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে চলমান সংকট নিরসনে একসঙ্গে কাজ করতে পারবে এবং পুরো অঞ্চলেই শান্তি প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে।”
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সামরিক ও কৌশলগত বেশ কিছু স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, পরমাণু স্থাপনা এবং সামরিক নেতাদের বাড়ি ছিল হামলার লক্ষ্যবস্তু। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য জানিয়েছে, তারা এই অভিযানে কোনোভাবে যুক্ত ছিল না।
উল্টো ইরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তেলআবিব ও জেরুজালেমে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অভিযানের মেয়াদ নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর।
শনিবার দিনশেষে ইসরায়েল ফের ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালায়, যা সংঘর্ষকে আরও বিস্তৃত ও জটিল করে তুলেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, রাতে ইরান থেকে বড় আকারের প্রতিশোধমূলক আক্রমণ শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র: ইরনা.

মতামত দিন