আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের দিকে ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া,নেতানিয়াহুকে সরানো হলো নিরাপদ স্থানে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে  ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। শুক্রবার এই ঘটনায় রাজধানী জেরুজালেমে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজতে শুরু করে, যার ফলে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বাসিন্দারা দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটে যান।

আল-জাজিরার বরাতে জানা যায়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের আকাশসীমার দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং তা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বেশ কয়েকটি শহরে একযোগে সামরিক অভিযান চালায়। ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামে পরিচালিত ওই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের একাধিক সদস্য  নিহত হন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি, আইআরজিসি প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি এবং খাতাম আল-আনবিয়া সদর দফতরের প্রধান মেজর জেনারেল গোলামআলি রাশিদ।

এই হামলার জবাবে ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং বড় পরিসরে প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে। এরই প্রেক্ষাপটে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিরাপত্তাজনিত কারণে একটি অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো নেতানিয়াহুর বিমানের একটি ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে দুটি যুদ্ধবিমান তার বিমানের সঙ্গে পাহারায় রয়েছে। পরবর্তীতে দেশটির চ্যানেল ১২ জানায়, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে অবতরণ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল-ইরান সংঘাত এখন আর দ্বিপাক্ষিক নয়; এর বিস্তার ঘটছে ইয়েমেনসহ অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তির মধ্যেও। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের শঙ্কা দিন দিন আরও প্রকট হচ্ছে।

মতামত দিন