ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সেনাপ্রধান মোহাম্মদ বাগেরি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের চালানো একাধিক বিমান হামলায় জেনারেল মোহাম্মদ বাগেরি প্রাণ হারিয়েছেন। ১৯৮০ সালে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে (আইআরজিসি) যোগ দেওয়া বাগেরি এক সময় দেশটির সামরিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে তেহরানে ব্যাপক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। হামলার ঘটনায় ইরানের দুই শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহাম্মদ মেহেদি তেহরানচি এবং ফেরেদুন আব্বাসিও নিহত হয়েছেন বলে জানায় আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম।
এছাড়া ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ডের কমান্ডার ইন চিফ জেনারেল হোসেইন সালামির মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে ইরানি সূত্র।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্তজ হামলাটিকে ‘আগাম প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানে চালানো অভিযানে পারমাণবিক ও সামরিক অবকাঠামোগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানায়, ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামের একটি পূর্বপরিকল্পিত সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে হামলাটি চালানো হয়। অভিযানে অংশ নেয় দুই ডজনেরও বেশি যুদ্ধবিমান। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত এই আঘাতের লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা এবং উচ্চসামরিক ঘাঁটি।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, এই অভিযান ছিল নিখুঁত পরিকল্পিত ও অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট। তাদের ভাষ্য, এর মাধ্যমে ইরানের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা কাঠামোর ওপর এক বড় আঘাত হানা হয়েছে।

মতামত দিন