আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনা:অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরলেন ১ জন।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ফ্লাইটটি উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরই বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজটিতে মোট ২৪২ জন আরোহী ছিলেন।
ভয়াবহ দুর্ঘটনার একমাত্র জীবিত আরোহী, লন্ডনপ্রবাসী ৪০ বছর বয়সী রমেশ, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর যখন জ্ঞান ফেরে, তখন তিনি নিজেকে মৃতদেহে ঘেরা অবস্থায় দেখতে পান।
“চারপাশে শুধু মৃতদেহ, বিমানের টুকরো আর আগুন। আমি কোনোভাবে উঠে দৌড়ে দূরে চলে যাই,” বলেন তিনি।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার পর তিনি ধীরে হেঁটে ঘটনাস্থল থেকে সরে যাচ্ছেন—শরীরে বড় ধরনের আঘাত বা পোড়া দাগ চোখে পড়েনি। জানা গেছে, তিনি বিমানের ১১-এ নম্বর সিটে ছিলেন।
রমেশ তার ভাইয়ের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে ফিরছিলেন। তারা আলাদা সারিতে বসেছিলেন। দুর্ঘটনার পর ভাইয়ের খোঁজ না পেয়ে শোকাহত তিনি বলেন, “আমি তাকে আর খুঁজে পাচ্ছি না।”
বিমানটি আকাশে প্রায় ৮২৫ ফুট উচ্চতায় ওঠার পরই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। ঠিক আগে পাইলট ‘মে ডে’ সংকেত পাঠান, এরপরই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং আকাশে দেখা যায় আগুন ও ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী।
এয়ার ইন্ডিয়া ও স্থানীয় উদ্ধারকারী বাহিনী জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত উদ্ধারকাজ চলছে। ধ্বংসস্তূপে আরও মরদেহ থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনাটিকে ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মতামত দিন