চীনকে ঠেকাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র, যুদ্ধ জয়ের হুঁশিয়ারি হেগসেথের।
হেগসেথ বলেন, “আমরা আমাদের মিত্রদের বলছি, আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় যেন হুমকির মাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। কারণ, প্রতিরোধ কোনোভাবেই সস্তা নয়।” তিনি দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীনের সামরিক আগ্রাসনের কথাও তুলে ধরেন এবং বলেন, “চীন এশিয়ার ভৌগোলিক ও কৌশলগত বাস্তবতা মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে চায়।”
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডং জুন সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকায় হেগসেথ মন্তব্য করেন, “আমরা এখানে, কেউ কেউ নেই”—যা চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অবনতির ইঙ্গিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিনও একই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।তিনি চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুনের সঙ্গে পৃথক এক বৈঠকে মিলিত হন। অস্টিন বলেন, “যতক্ষণ আমরা সংলাপ চালিয়ে যেতে পারি, ততক্ষণ আমরা ভুল বোঝাবুঝি বা ভুল হিসাব-নিকাশ এড়াতে পারব।”
চীন বর্তমানে দক্ষিণ চীন সাগরে তার সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে এবং একইসঙ্গে তাইওয়ানের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে একীভূত করার হুমকি দিয়ে আসছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভীষণভাবে উত্তেজনাপূর্ণ, আর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সংকেত দিচ্ছে যে তারা কৌশলগতভাবে চীনকে মোকাবিলায় পূর্ণ প্রস্তুত।

মতামত দিন