বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুধার্ত এলাকার নাম হচ্ছে গাজা।
সংস্থাটির মুখপাত্র জেন্স লারকে জানিয়েছেন, “গাজার জনগণ এখন চরম অনাহারের মুখোমুখি। দ্রুত ও নিরবিচারে ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি না পেলে পরিস্থিতি মারাত্মক মানবিক সংকটে পরিণত হবে।”
তিনি বলেন, সম্প্রতি অনুমোদিত ৯০০টি সাহায্যবাহী ট্রাকের মধ্যে মাত্র ৬০০টি গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছে। এই সহায়তার বড় অংশই ছিল ময়দা, যা রান্না না করলে খাওয়ার উপযোগী নয়। অথচ গাজার পুরো জনসংখ্যাই এখন দুর্ভিক্ষের সরাসরি ঝুঁকিতে রয়েছে।
ওসিএইচএ জানিয়েছে, কেবল গত দুই সপ্তাহেই সেখানে আরও দুই লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।নিরাপত্তাজনিত জটিলতা ও প্রশাসনিক বাধার কারণে ত্রাণ পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানায়, জর্ডানের আম্মানে তাদের গুদামে গাজার জন্য খাদ্য, ওষুধ ও মানবিক সামগ্রী প্রস্তুত রয়েছে, যা অন্তত দুই লাখ মানুষের জন্য এক মাস চলবে। কিন্তু সীমান্ত সিল থাকায় এসব সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
সংস্থাটি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, “এই মুহূর্তে গাজার মানুষ বেঁচে থাকার জন্য সহায়তার অপেক্ষায় আছে। সামান্য দেরিতেও যে মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে, তা ভাষায় প্রকাশের নয়।”
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ ও একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থার যৌথ প্রতিবেদনে এর আগেই জানানো হয়েছিল, ২ মার্চ থেকে ত্রাণ কার্যক্রম কার্যত বন্ধ থাকায় গাজায় অনাহার, অপুষ্টি ও খাদ্য সংকট দ্রুত বেড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি যদি অপরিবর্তিত থাকে, তবে তা নজিরবিহীন দুর্ভিক্ষে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মহল।
মতামত দিন