আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ল স্বর্ণের।
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়া, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকছেন।
রয়টার্সের তথ্যমতে, জিএমটি সময় সকাল ৮টা ৪১ মিনিটে স্পট গোল্ডের মূল্য ০.৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,১৯০.৯৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে এপ্রিল সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারস ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫,২১০.৪০ ডলারে। ডলার সূচক ০.১ শতাংশ কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হয়েছে, যা চাহিদা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের এই প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। নতুন দর অনুযায়ী ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বিক্রি হবে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামে পরিবর্তনের কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে, যদিও গয়নার ধরনভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি ৬ হাজার ৭০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মতামত দিন