নির্বাচনকালে মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় সীমিততা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ মাত্র তিন দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। ভোটকেন্দ্রে টাকার অপব্যবহার রোধ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সীমিত করেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এই সময়ে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব এমএফএস লেনদেনে কিছু সেবা সীমিত থাকবে, যদিও জরুরি কিছু লেনদেনের সুবিধা রাখা হয়েছে।
ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ
ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব ধরনের ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট সেবা নির্বাচনী সময় বন্ধ থাকবে। ফলে এজেন্ট পয়েন্ট থেকে কোনো নগদ জমা বা উত্তোলন করা যাবে না। বিকাশ বা নগদ অ্যাপে ক্যাশ-ইন/ক্যাশ-আউট আইকনগুলো নিষ্ক্রিয় থাকবে।
সেন্ড মানির সীমা
গ্রাহক জরুরি প্রয়োজনে একে অপরকে টাকা পাঠাতে পারবেন, তবে সীমিতভাবে। প্রতি লেনদেনে সর্বাধিক ১,০০০ টাকা পাঠানো যাবে এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করা যাবে। অর্থাৎ এক দিনে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পাঠানো সম্ভব।
মোবাইল রিচার্জ ও পেমেন্ট স্বাভাবিক
সাধারণ মানুষের অসুবিধা এড়াতে মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি) এবং কেনাকাটার পেমেন্ট আগের মতোই চালু থাকবে। এখানে কোনো নতুন সীমা বা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।
শিক্ষা ও জরুরি ফি পরিশোধ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য জরুরি সরকারি সেবার ফি পরিশোধ স্বাভাবিকভাবে চলবে।
কারণ
নির্বাচনকালীন সময়ে ভোট কেনাবেচা বা নাশকতামূলক কাজে অর্থের ব্যবহার রোধ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। ভোট শেষে, ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতের পর সব এমএফএস সেবা পূর্ণরূপে সচল হবে। এই সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
মতামত দিন