পারমাণবিক আলোচনার ইতিবাচক সংকেত, বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম।
ওমানে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পারমাণবিক বিষয়ক আলোচনার এগিয়ে যাওয়ার খবর আসায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে সামান্য দাম কমেছে। দ্বিপাক্ষিক সংলাপ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা আপাতত প্রশমিত করেছে।
সোমবারের হিসাব অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ৬৭ সেন্ট কমে ৬৭.৩৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও ৬১ সেন্ট হ্রাস পেয়ে ৬২.৯৪ ডলারে নেমেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, কূটনৈতিক অগ্রগতি বাজারে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কমিয়েছে।
বিশেষভাবে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্ব তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ রপ্তানি হয়। তাই এ অঞ্চলে অস্থিরতা আন্তর্জাতিক বাজারকে দ্রুত প্রভাবিত করে। তবে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ এবং মার্কিন সামরিক ক্রিয়াকলাপ এখনো উত্তেজনা বজায় রেখেছে। বাজারে যে অস্থিরতা রয়েছে, তাতে সামান্য নেতিবাচক খবরেই দাম আবার বাড়তে পারে।
অন্যদিকে, ইউক্রেন সংকটের কারণে রাশিয়ার তেলের ওপর ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব এবং ভারতের সরবরাহ সীমিত করার সিদ্ধান্ত বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। বিশেষ করে ভারত রাশিয়ার তেল ক্রয় কমানোর ফলে বিকল্প উৎস ও দীর্ঘমেয়াদী সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে আগামী দিনগুলোতে তেলের মূল্যের ওঠা-নেমা এই ভূ-রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।

মতামত দিন