অর্থনীতি
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ আতঙ্কে দেশের শেয়ারবাজারে ধস, সর্বোচ্চ দরপতনে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের বড় ধরনের পতনের মধ্যে লেনদেন শেষ হয়েছে। বুধবার (৭ মে) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রধান শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া প্রায় সবকটি শেয়ারের দাম কমে গেছে এবং সেগুলো দরপতনের মধ্যেই কেনাবেচা হয়েছে।

ডিএসই পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ইনডেক্স ১৪৯ পয়েন্ট হারিয়ে ৪,৮০২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সূচক পতনের হার ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।
ডিএসইএস ইনডেক্স ৪১ পয়েন্ট হারিয়ে ১,০৪৭ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ ইনডেক্স ৪০ পয়েন্ট হারিয়ে ১,৭৯৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সূচক পতনের হার যথাক্রমে ৩ দশমিক ৮৪ ও ২ দশমিক ১৯ শতাংশ। পতনের হার বিবেচনায় ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির পর এটাই সর্বোচ্চ দরপতন। ওইদিন সূচক হারিয়েছিল দুই দশমিক ৭৪ শতাংশ।

এ বিষয়ে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, পাকিস্তান-ভারতের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি করেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাজার শিগগিরই ঘুরে দাঁড়াবে।

বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক এই শিক্ষক বলেন,বর্তমানে আমাদের শেয়ারবাজার অনেকটাই বটম লাইনে রয়েছে।এ অবস্থায় শেয়ার বিক্রি না করা এবং মার্জিন লোন থেকে বিরত থাকা উচিত।

এদিকে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরসহ দেশটির কয়েকটি স্থানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ডলারের বিপরীতে রুপির দাম কমে গেছে।রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে,মঙ্গলবার দিনের শেষে প্রতি ডলারের বিপরীতে রুপি ছিল ৮৪ দশমিক ৪৩২৫, আর বুধবার সকালে তা দাঁড়ায় ৮৪ দশমিক ৬৪ থেকে ৮৪ দশমিক ৬৮ রুপিতে।

মতামত দিন