আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও দাম বেড়েছে স্বর্ণের।
মার্কিন ডলারের তুলনামূলক দুর্বলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম শুক্রবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখিয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার জিএমটি ১০:১৭ পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম আউন্সপ্রতি ৪,২২৫.১১ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের দামের তুলনায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি।
ফেব্রুয়ারির ফিউচার্স গোল্ডের দামও বেড়ে আউন্সপ্রতি ৪,২৫৫.৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের দামের তুলনায় শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিনিয়োগকারীরা আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের নীতি সভার আগে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি সম্পর্কিত তথ্যের দিকে তাকিয়ে আছেন।
ডলারের দুর্বলতার কারণে অন্যান্য মুদ্রায় স্বর্ণ ক্রয় করা এখন তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হয়েছে। এফএক্সটিএমের সিনিয়র বিশ্লেষক লুকমান ওতুনুগা মন্তব্য করেছেন, “ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর বাজার প্রত্যাশা এবং ডলারের দুর্বলতা স্বর্ণের দর বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে।”
দেশের বাজারেও শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নির্ধারিত নতুন দামে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭২ হাজার ৭০৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ডের দাম কিছুটা কমার কারণে সামগ্রিক মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
মতামত দিন