অর্থনীতি
ছবি: সংগৃহীত

আলু-পেঁয়াজে দাম কমলেও অন্যান্য সবজির বাজারে দাম চড়া।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

চলতি বছরে আলু ও পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। ভালো ফলনের কারণে ভোক্তারা কেজি প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা সাশ্রয় করতে পারছেন।

তবে দীর্ঘমেয়াদি বর্ষার প্রভাবে অন্য সবজির বাজারে দাম বেড়ে গেছে। গড়ে প্রায় ২০ টাকা বেশি খরচ করে অন্যান্য সবজি কিনতে হচ্ছে।

ট্যারিফ কমিশন বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিন্ডিকেট রোধ, আমদানি শুল্কমুক্তি এবং তদারকি জোরদারের সুপারিশ দিয়েছে। কৃষি অর্থনীতিবিদরা এই পদক্ষেপকে সময়োপযোগী মনে করছেন।

গত বছর সেপ্টেম্বরের শুরুতে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছিল ১২০ টাকায়, আলুর দাম ছিল ৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ সর্বোচ্চ ২২০ টাকায়। কিন্তু চলতি বছরের একই সময়ে পেঁয়াজের দাম কমে ৮০ টাকা, আলুর দাম ২৫ টাকা এবং মরিচ ১৬০ টাকায় নেমেছে।

অন্যদিকে বেগুন, ঢেড়স, কাঁকরোল ও পটলের দাম বেড়ে গড়ে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৪০-৫০ টাকার মধ্যে ছিল।

ট্যারিফ কমিশন আলু-পেঁয়াজের দাম কমার কারণ হিসেবে ভালো ফলন এবং অন্যান্য সবজির দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদি বর্ষাকে দায়ী করেছে। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, পেঁয়াজ কেজি ৯০ টাকার নিচে নেমে গেলে আমদানিতে শুল্কমুক্তি, কাঁচা মরিচের অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার এবং সবজির সরবরাহ ব্যবস্থায় তদারকি জোরদারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, “দাম অতিরিক্ত বেড়ে গেলে আমদানিতে শুল্ক ছাড় দিলে ভোক্তারা স্বস্তি পাবেন। তবে বর্ষার শেষ দিকে সরবরাহ সংকটের সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়ায়, তাই বাজারে তদারকি বাড়ানো জরুরি।”

উল্লেখ্য, গত ১৪ আগস্ট ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র দেওয়ার পর মাত্র তিন দিনেই সরকার তা বন্ধ করে দেয়।


মতামত দিন