চলতি জুনে ২৮ দিনেই এসেছে ২৫৩ কোটির বেশি রেমিট্যান্স।
প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৭ লাখ ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ের সিংহভাগ এসেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে—১৬১ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫৫ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংক থেকে ৩৬ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার।
সপ্তাহভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২২ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৫৫ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, ১৫ থেকে ২১ জুন এসেছে ৮০ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং ৮ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত এসেছে ৩০ কোটি ৬ লাখ ডলার। জুনের প্রথম সপ্তাহেই এসেছে ৮৮ কোটি ৩৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা চলতি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে শক্তিশালী সূচনার ইঙ্গিত দেয়।
এদিকে গত মে মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯৬ কোটি ৯৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রাপ্তির রেকর্ড। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ডলার এবং বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৮৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার।
এর আগে মার্চ মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স এসেছিল—৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার। তখন প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে হিসাব করলে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪০ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা। এপ্রিলে রেমিট্যান্স কিছুটা কমে দাঁড়ায় ২৭৫ কোটি ১৯ লাখ ডলারে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী আয় ছিল যথাক্রমে ২১৮ কোটি ৫২ লাখ ও ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।
ক্রমবর্ধমান এই রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে যেমন সহায়ক হচ্ছে, তেমনি অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবাহেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
মতামত দিন