বাগেরহাটের সাবেক এমপি আমিরুল আলম মিলনসহ আওয়ামী লীগের ৯ নেতা গ্রেপ্তার।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক অভিযানে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নয় নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন বাগেরহাট-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিরুল আলম মিলন।
ডিবি জানায়, সোমবার (৫ মে) রাতের কোনো এক সময় রাজধানীর ইন্দিরা রোড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
এছাড়া ডিবির বিভিন্ন ইউনিট রাজধানীর একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আরও আট নেতাকে গ্রেপ্তার করে।
ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় যাত্রাবাড়ী ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম দিলুকে। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে।
একই রাতে মিরপুর বেড়িবাঁধ থেকে শাহআলী থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন এবং ভিকারুন্নেসা স্কুলের সামনে থেকে রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রধানীয়াকে আটক করা হয়। দুজনের বিরুদ্ধেই রয়েছে হত্যাসহ নানা অভিযোগ।
এছাড়া মঙ্গলবার রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. মোখলেছুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও বিভাগের ডিবি।
পুরান ঢাকার বংশাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পল্লবী থানা যুবলীগের সহসভাপতি কাজী মো. সারোয়ার জাহান মিঠুকে।
বাকি গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—বংশাল থানা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. এমরান গোলদার, ছাত্রলীগের ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ অন্তু এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অরিত্র নন্দী।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল ও সহিংস তৎপরতার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে মামলা রয়েছে।
মতামত দিন