নির্বাচন সামনে রেখে বিশেষ ছুটি, ভোটের দিন চলবে বাড়তি মেট্রোরেল।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের অংশগ্রহণ সহজ করতে সরকার টানা কয়েক দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি থাকায় সাপ্তাহিক অবকাশের সঙ্গে মিলিয়ে মোট চার দিনের বিরতি মিলবে।
এই সময় রাজধানীর যাত্রীদের যাতায়াত যেন ব্যাহত না হয়, সে কারণে মেট্রোরেল চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, ছুটির দিনেও ট্রেন চলাচল নিয়মিত সূচি অনুযায়ী হবে। ভোটের দিন যাত্রীচাপ বিবেচনায় অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ডিএমটিসিএলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যদিও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে, নিরাপত্তা বিবেচনায় যেসব স্টেশনের প্রবেশপথ সরাসরি ভোটকেন্দ্রের পাশে, সেগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হতে পারে। অন্য গেটগুলো দিয়ে যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগ থাকবে।
নির্বাচনকালীন সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রশাসন বিভাগের পরিচালক এ কে এম খায়রুল আলমের সই করা এক অফিস আদেশে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জরুরি কারণ ছাড়া সব ধরনের ছুটি স্থগিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ভোটের দিন নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে যানবাহন চলাচলে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সি, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে।
মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রযোজ্য হবে। ১০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত পর্যন্ত সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল সীমিত থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজন বা নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি, আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
মতামত দিন