শেরপুরে সংঘর্ষ–হত্যাকাণ্ড: ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ইসির।
শেরপুরে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং একজন জামায়াত নেতার নিহত হওয়ার ঘটনার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইসি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শেরপুরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আখতার আহমেদ আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করা হবে জুডিশিয়াল তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির পর আদালতের আদেশে কেউ প্রার্থিতা ফিরে পেলেও পোস্টাল ব্যালটে তার নাম ও প্রতীক অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।
এর আগে, শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উপজেলা জামায়াতের নেতা রেজাউল করিম নিহত হন। ওই ঘটনার পর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ওসিকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন।
মতামত দিন