ভাই হত্যার বিচার যেন প্রকাশ্যে এই বাংলায় দেখতে পাই হাদির বড়ভাই।
তিনি বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে জুমার নামাজ শেষে গুলি করে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে খুনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। আট দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো বিচার তিনি দেখতে পাননি। তার দাবি, এই বাংলার মাটিতে প্রকাশ্যে তার ভাই হত্যার বিচার তিনি দেখে যেতে চান।
আবু বকর সিদ্দিক বলেন, তার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। তিনি উল্লেখ করেন, ওসমান হাদি সব সময় শহীদি মৃত্যুর কথা বলতেন, টকশো ও বক্তব্যে সেই আকাঙ্ক্ষাই প্রকাশ করতেন। হয়তো আল্লাহ তাকে সেই মৃত্যুই দান করেছেন।
তিনি আরও বলেন, এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তারা কিছুই করতে পারছেন না—এই বেদনায় তাদের বুক ফেটে যাচ্ছে। তিনি হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার স্ত্রী ও মাত্র আট মাস বয়সী সন্তানের জন্য সবার কাছে দোয়া চান। সন্তানটির মুখের দিকে তাকাতে পারছেন না বলেও আবেগভরে জানান তিনি।
বক্তব্য শেষে আবু বকর সিদ্দিক নিজেই ইমামতি করে ওসমান হাদির জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন। জানাজায় অংশ নিতে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় মানুষের ঢল নামে। খামারবাড়ি থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত পুরো এলাকা জনসমুদ্রে রূপ নেয়।
মতামত দিন