নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি, আরও উপদেষ্টাদের ও মাঠে নামার ইঙ্গিত দিলেন আসিফ মাহমুদ।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন যে তিনি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। এবার তিনি ইঙ্গিত দিলেন—সরকারের বর্তমান দুই ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টাসহ আরও কয়েকজন উপদেষ্টাকেও নির্বাচন ময়দানে দেখা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে উপজেলা পর্যায়ের পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধনের অনলাইন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে কোনো আইনগত নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে সরকারি দায়িত্বে থাকাকালীন প্রার্থী হওয়া স্বার্থসংঘাত তৈরি করতে পারে। তাই যে-ই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক না কেন, তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় প্রবেশের আগেই দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া উচিত। তিনি নিজেও সেই মানদণ্ড মেনে চলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।
তফসিল ঘোষণার আগেই তিনি পদত্যাগ করবেন কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখনো নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি। সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হলে ধাপে ধাপে সিদ্ধান্তগুলো জানানো হবে। রাজনৈতিক বিষয়ে এই মুহূর্তে মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলেও জানান তিনি।
ডিএনসিসির প্রশাসকের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তদন্ত করা দুদকের এখতিয়ার। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে সম্পর্কিত মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
উপজেলা ভিত্তিক লাইব্রেরি উদ্বোধনের প্রসঙ্গে তিনি জানান, শিক্ষায় বৈষম্য কমাতে এটি একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পাঁচ মাসের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তাঁর আশা—ভালো বই পাঠ তরুণদের মানবিক, সচেতন ও সৃজনশীল মনোভাব গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে। এক বছরের মধ্যে সব উপজেলায়ই এ ধরনের লাইব্রেরি চালু করা হবে।
এর আগে, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে ১১টি জেলার ৪৪টি উপজেলায় লাইব্রেরি স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়। প্রতিটির নির্মাণ ব্যয় ৫৩ লাখ টাকা। মোট প্রকল্প ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা।
মতামত দিন