কমিশন এনসিপিকে নিজস্ব সিদ্ধান্তে অন্য কোনো প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে।
আখতার আহমেদ বলেন, কমিশন ইতিমধ্যে তাদের অবস্থান জানিয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো বিকল্প প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। এছাড়া, আরপিও সংশোধনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর কোনো সাংঘর্ষিক বিষয় দেখা যায়নি। কমিশন আরপিও প্রস্তাবনাগুলো পাঁচটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করেছে—যেসব প্রস্তাব স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য, ভাষাগত বা সংখ্যাগতভাবে সামান্য পরিবর্তনযোগ্য, রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া সম্ভব নয়, বিদ্যমান আইনে যথেষ্ট নির্ধারিত এবং কমিশনের নিজস্ব বিবেচনায় সংশোধনযোগ্য।
এদিকে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২,৭৬১টি। পুরুষ ভোটারের জন্য ১,১৫,১৩৭টি কক্ষ এবং মহিলাদের জন্য ১,২৯,৬০২টি কক্ষ রাখা হয়েছে, যার ফলে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,৪৪,৬৪৯টি।
প্রাথমিকভাবে ১৪টি অস্থায়ী কেন্দ্রও নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ১২ হাজার কক্ষ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রের গড়ে ৩ হাজার ভোটার ভোট দেবেন। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে এই সংখ্যা সামঞ্জস্য করা হবে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, খসড়া তালিকায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪২,৬১৮টি, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা কমেছে—গত নির্বাচনে যেখানে ছিল ২,৬১,৫৬৪টি, এবার তা ২,৪৪,৬৪৯টিতে নেমে এসেছে। অর্থাৎ ভোটকেন্দ্র বেড়েছে, কিন্তু ভোটকক্ষের সংখ্যা কিছুটা কমানো হয়েছে।

মতামত দিন