নদী-নদীতে ২২ দিনের ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শুরু, বরিশালে জব্দ ২২০ টন মাছ।
প্রথম দিনে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় মোট ৯৬টি অভিযান চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ২২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নদীতে অবৈধভাবে ধরা ইলিশসহ প্রায় এক হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা মাছের পরিমাণ ২২০ টন, আর জালের মূল্য ১১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুল হাসান জানিয়েছেন, রাত ১২টার পর অভিযান শুরু হয়ে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিভাগের ৬৪টি মৎস্য অবতরণকেন্দ্র, ২১০টি মাছ ঘাট, ৩৯২টি আড়ত ও ২১৬টি বাজার পরিদর্শন করা হয়। অভিযানের সময় নদীতে মাছ ধরা, বাজারজাত ও পরিবহনের ক্ষেত্রে মোট আটটি মামলায় এক লাখ পাঁচ হাজার পাঁচশ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরিশাল বিভাগের প্রায় সাড়ে চার লাখ জেলেকে এই নিষেধাজ্ঞার সময় ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে। মৎস্য বিভাগ বলছে, ২০০৩-০৪ সাল থেকে জাটকা রক্ষার কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর ইলিশের উৎপাদন ক্রমেই বেড়েছে। ২০০৮ সালে প্রথমবার ১১ দিনের পূর্ণিমা-নিষিদ্ধকাল শুরু হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, মা ইলিশ শুধুমাত্র পূর্ণিমায় নয়, অমাবস্যাতেও ডিম ছাড়ে। তাই বর্তমানে পূর্ণিমা ও অমাবস্যা মিলিয়ে ২২ দিনের ধরাধরার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।

মতামত দিন