খাগড়াছড়িতে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে উত্তেজনা, কিন্তু ‘ধর্ষণের আলামত পাননি’ চিকিৎসক।
খাগড়াছড়িতে মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে। সংশ্লিষ্ট কিশোরীর মেডিকেল পরীক্ষা প্রতিবেদনে কোনো ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি।
মেডিকেল পরীক্ষা খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. জয়া চাকমা, ডা. মীর মোশাররফ হোসেন ও ডা. নাহিদ আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। ডা. জয়া চাকমা জানান, “সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে, কোনো ধর্ষণের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।”
পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বলেন, “মেডিকেল রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট, ধর্ষণের কোনো আলামত নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও পরিকল্পিত সহিংসতায় তিনজন প্রাণ হারিয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
মামলার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে কিশোরীকে অভিযোগ ওঠার পরই খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ, অবরোধ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। একই ঘটনায় পুলিশ শয়ন শীল (১৯) নামে এক তরুণকে আটক করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করতে গুইমারায় পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে এবং জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

মতামত দিন