জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় সুদের ১৫ হাজার টাকার জন্য,মরদেহের দাফনে বাধা।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার চিৎলা গ্রামে এক নারীর অমানবিক আচরণে হতবাক গ্রামবাসী। অভিযোগ রয়েছে, সুদের টাকা আদায় করতে গিয়ে মরদেহ দাফনে বাধা দিয়েছেন প্রতিবেশী মর্জিনা খাতুন।

শেষ পর্যন্ত টাকা পরিশোধ করার পরেই দাফন সম্পন্ন হয়।

ঘটনাটি ঘটে রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) নতুনপাড়ায়। মারা যাওয়া রাজমিস্ত্রি হারুন ওই গ্রামের নিয়ামত  আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, হারুন মেয়ে বাড়ি মেহেরপুরের মহাজনপুরে বেড়াতে গেলে সেখানেই হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরে মরদেহ গ্রামে আনা হলে শোকাহত পরিবার প্রস্তুতি নেয় দাফনের। আসরের নামাজের  পর গোসলের সময় সেখানে হাজির হন মর্জিনা খাতুন। তিনি দাবি করেন, হারুনের কাছে তার সুদের ১৫ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। সেই টাকা পরিশোধ না করলে মরদেহ দাফন করতে দেবেন না।

প্রথমে পরিবার ও গ্রামবাসী হতভম্ব হয়ে যায়। কেউ কেউ প্রতিবাদ করলেও মর্জিনা নিজের অবস্থানে অটল থাকেন। শেষমেশ হারুনের পরিবার দাবি করা টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়। এরপর দাফনের অনুমতি মেলে। এ ঘটনা দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন উপস্থিত অনেকে।

ভিডিওসহ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র নিন্দা শুরু হয়।

দামুড়হুদা ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী বলেন, ‘এটি অমানবিক ও ন্যক্কারজনক কাজ। সুদের কারবারিদের বিচার হওয়া জরুরি।’

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথী মিত্র জানান, ‘আমি বিষয়টি শুনেছি, ভিডিওও দেখেছি। বিষয়টি অমানবিক। এ নিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’

মতামত দিন