১০ টাকায় ইলিশ বিতরণের ঘোষণা দিয়ে বিপদে স্বতন্ত্র সংসদ প্রার্থী রায়হান জামিল।
ঘোষণাটি প্রকাশের পর স্থানীয় ও আশেপাশের এলাকা থেকে লোকজন এসে জমে ওঠে। কিন্তু ইলিশের সংখ্যা সীমিত থাকায় প্রত্যেকেই মাছ পাননি। এতে হঠাৎ করেই জনতার মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় প্রার্থী নিজেই দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। পরে তিনি ভাষণচর ইউনিয়ন পরিষদের দিকে যাচ্ছিলেন, সেই সময় জনতা তার গাড়ি থামিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং প্রার্থীকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা সকাল থেকে ইলিশ পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউ মাছ পাননি। বিশৃঙ্খলাপূর্ণ ভিড়ের কারণে জনসাধারণের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা দেখা দেয়।
রায়হান জামিল বলেন, “জনকল্যাণের উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে অপ্রত্যাশিত জনসমাগম ও বিশৃঙ্খলার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।”
সদরপুর থানার ওসি সুকদেব রায় জানিয়েছেন, প্রশাসন আগেই এই ধরনের বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন না করার পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু তা উপেক্ষা করা হলে পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। পুলিশের তৎপরতায় অবশেষে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

মতামত দিন