জাকসু নির্বাচনে অব্যবস্থাপনা,দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ৩ শিক্ষক।
নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো শিক্ষকরা হলেন—নাহরীন ইসলাম খান, নজরুল ইসলাম ও শামীমা সুলতানা।
সংবাদ সম্মেলনে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাহরীন ইসলাম খান বলেন, “প্রশাসন দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কাজ করছে, নানা অনিয়ম ও কারসাজি হচ্ছে। এই নির্বাচনের দায়ভার নেওয়া আমাদের উচিত নয়। প্রতিবাদের জায়গা থেকে আমরা দায়িত্বশীল শিক্ষকরা নির্বাচন বর্জন করেছি।”
এর আগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত প্যানেলের প্রার্থীরা জাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। বিকেল পৌনে ৪টায় মওলানা ভাসানী হলে সংবাদ সম্মেলনে জিএস পদপ্রার্থী তানজিলা হোসেন বৈশাখী জানান, “তাজউদ্দীন হলের ভোটার লিস্টে ছবি নেই, তাই দুই ঘণ্টা ভোট বন্ধ ছিল। ২১ নং হলে এবং জাহানারা ইমাম হলে মব সৃষ্টি হয়েছে। মেয়েদের হলে একাধিকবার একই ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করেছে, প্রশাসন কিছু বলেনি। এসব কারণে আমরা ভোট বর্জন করেছি।”
সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও অভিযোগ করেন, বেশিরভাগ ভোট কেন্দ্রে কালী ঠিকমতো ব্যবহার করা হয়নি, যার ফলে একজন ভোটার একাধিকবার ভোট দিতে পারতেন।
মতামত দিন