ঢাবিতে তিন বছরের ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেল ৫৭ শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মেধার মূল ভিত্তি পরিশ্রম। এককভাবে কেউ সফল হয় না, সবার অবদান থাকে এর পেছনে। দীর্ঘদিনের যে গৌরবময় ঐতিহ্য বিশ্ববিদ্যালয় ধরে রেখেছে, শিক্ষার্থীরাই সেটি বজায় রাখছে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় আসল কাজ কী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম।
অনুষদের চারটি বিভাগ— ভূগোল ও পরিবেশ, ভূতত্ত্ব, সমুদ্রবিজ্ঞান এবং ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স— থেকে মোট ৫৭ শিক্ষার্থী এ পুরস্কার পান।
এ ছাড়া গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আট শিক্ষককে চারটি ক্যাটাগরিতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কিউ-ওয়ান জার্নালে প্রকাশনার জন্য ২২ শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তাকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এ আয়োজন অত্যন্ত গর্বের। মেধার স্বীকৃতি দিতে পারা বড় অর্জন। তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো তার শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে, আর এর পেছনে বাবা-মায়ের অবদানও অপরিসীম।

মতামত দিন