রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদার ক্রম নিয়ে: আপিল বিভাগে শুনানি ৪ নভেম্বর।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল বিভাগ আগামী ৪ নভেম্বর শুনানি করবে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) আদালত এ তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স সংশোধনের মাধ্যমে আপিল বিভাগ রায় দেয়। এতে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদধারীদের ক্রম উল্লিখিত করা হয় এবং জেলা জজদের পদক্রম আট ধাপ উন্নীত করে সচিবদের সমান করা হয়। প্রধান বিচারপতির পদক্রমকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সমান রাখা হয়েছে।
রিভিউ শুনানি ৯ জানুয়ারি শুরু হয়। বিচারকদের সংগঠন জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে দ্রুত রিভিউ শুনানির আবেদন করে। আবেদনটি করেন ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর। পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরাও রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার ক্রমে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করেন।
মামলার রিভিউ শুনানি আরও শুরু হয়েছিল ২৭ এপ্রিল, যখন আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়। রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হলে মন্ত্রী পরিষদ সচিব এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) তৎকালীন চেয়ারম্যান ২০১৭ সালে পৃথক রিভিউ আবেদন করেন। পরবর্তীতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা এই রিভিউ আবেদনে পক্ষভুক্ত হন।
এর আগে, গ্রেনেড হামলা মামলার প্রথম দিকে টানা শুনানি এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিভিউ প্রক্রিয়ার কারণে রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার ক্রম নিয়ে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত পিছিয়ে যায়। আদালতের এই পুনঃনির্ধারিত তারিখে শুনানি সম্পন্ন হওয়ার পর পদমর্যাদার চূড়ান্ত রায়ের দিকে অগ্রসর হওয়া সম্ভব হবে।
মতামত দিন