ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের শাটডাউন, স্থায়ী ক্যাম্পাসসহ ১৫ দফা দাবি।
শিক্ষার্থীরা জানান, প্রশাসনের কাছে ১৫ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রশাসন প্রথমে দাবিগুলো যৌক্তিক বলে মেনে নিলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
-
নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের ব্যবস্থা,
-
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস সার্ভিস চালু,
-
ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা,
-
লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় বই সংযুক্ত করা,
-
মুট কোর্ট রুম স্থাপন,
-
ছাত্র সংসদ গঠন,
-
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় জরিমানা বাতিল,
-
পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ।
শিক্ষার্থী আদনান আরাফাত বলেন, “স্থায়ী ক্যাম্পাস না হলে ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘রেড লিস্ট’-এ অন্তর্ভুক্ত করতে পারে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য জীবন বিপজ্জনক করে তুলবে। আমরা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দাবি জানাচ্ছি, কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেছি।”
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে। প্রয়োজনে মহাসড়ক অবরোধ করেও দাবি আদায় করা হবে।”
ফেনী ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. ফরহাদুল ইসলাম জানান, “স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য আগের জায়গা নিয়ে মামলা চলমান। নতুন জায়গায় স্থাপন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শুক্রবার আসবেন। শিক্ষার্থীদের ততদিন ক্লাস চালাতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তারা শাটডাউন ঘোষণা করেছে।”
উল্লেখ্য, গত বছরও শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য ১৫ দফা দাবি পেশ করেছিল এবং দাবির বাস্তবায়ন না হওয়ায় কয়েকবার অবস্থান ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করেছে।
মতামত দিন