“সিন্ডিকেট ভাঙা ও অদক্ষ জনবল কমিয়ে ৩৩ ওষুধের দাম কমিয়েছে ইডিসিএল”
এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামাদ মৃধা জানিয়েছেন, সিন্ডিকেট ভাঙার এবং অদক্ষ কর্মী কমানোর মাধ্যমে ৩৩ প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম কমানো সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে আরও কিছু ওষুধের দাম হ্রাসের কাজ চলমান আছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে ইডিসিএলের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
সামাদ মৃধা বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় কোম্পানির কর্মীসংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ২ হাজার বেশি ছিল, যাদের অধিকাংশ অদক্ষ। এর মধ্যে ৭২২ জনকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং অতিরিক্ত ওভারটাইমও বন্ধ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ট্রল ম্যানুফ্যাকচার কমানোর মাধ্যমে ব্যয়ও নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, সিন্ডিকেট ভাঙার মাধ্যমে কাঁচামাল যৌক্তিক মূল্যে কেনা সম্ভব হয়েছে, যার ফলে ৩৩টি ওষুধের দাম ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো গেছে। একইভাবে কাজ চললে আগামী ছয় মাসের মধ্যে আরও বেশি সংখ্যক ওষুধের দাম হ্রাস করা সম্ভব হবে।
দাম হ্রাস করা ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক, নিউমোনিয়া, সর্দি-জ্বর, উচ্চরক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক আলসার, কৃমিনাশক, ব্যথানাশক, হাঁপানি ও ভিটামিন সংক্রান্ত ওষুধ।
ইডিসিএল জানিয়েছে, ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল, কেটোরোলাক ইনজেকশন, অনডানসেট্রন ইনজেকশন, সেফট্রিয়াক্সোন এবং সেফটাজিডিম ইনজেকশনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা হয়েছে। মেরোপেন ওমিপ্রাজল ইনজেকশনের দামও কমানো হয়েছে। এছাড়া মনটিলুকাস্ট ট্যাবলেটের দাম ১০ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে ৫ টাকায় নামানো হয়েছে।
গ্রামীণ ক্লিনিকে তালিকাভুক্ত ৩২টি ওষুধের মধ্যে ২২টির দামও হ্রাস করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্যাস্ট্রিকের অ্যান্টাসিড, প্যারাসিটামল, সালবিউটামল, অ্যালবেন্ডাজল, ক্লোরামফেনিকল আই ড্রপ এবং মেটফর্মিনসহ বিভিন্ন ওষুধ।

মতামত দিন