জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

পদ্মায় ভরা মৌসুমে তীব্র ভাঙন, ঝুঁকিতে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়ার ৩ ফেরিঘাট।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

পদ্মা নদীতে ভরা মৌসুমে পানি বৃদ্ধির কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ফেরিঘাটগুলো ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে এবং প্রতিদিনই ফেরি চলাচলে সময় দ্বিগুণ লাগছে, ফলে যাত্রী ও পরিবহন চালকদের ভোগান্তি বেড়েছে।

ভাঙনের চিত্র
সরেজমিন দেখা গেছে, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩, ৪ ও ৭ নম্বর ঘাটে তীব্র ভাঙন চলছে। এর মধ্যে ৪ ও ৭ নম্বর ঘাট বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। গত কয়েক বছরে ভাঙনে ১, ২ ও ৫ নম্বর ঘাট বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে সচল ৩টি ঘাটের মধ্যে একাধিকের কোল ঘেঁষে ভাঙন হওয়ায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের গতি বেড়েছে। জরুরিভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানো না হলে বসতবাড়ি, মসজিদসহ নানা স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।

ফেরি চলাচলে প্রভাব
বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১২টি ফেরি চলাচল করছে। তবে পানি বৃদ্ধির কারণে আগের তুলনায় নদী পারাপারে সময় দ্বিগুণ লাগছে। গাড়ি লোড-আনলোডেও সমস্যায় পড়ছেন চালকরা।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন জানান, ভাঙন পরিস্থিতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং বিআইডব্লিউটিএর প্রকৌশলীরা কাজ করছেন।

বিআইডব্লিউটিএ আরিচা অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী নেপাল চন্দ্র দেবনাথ বলেন,ফেরিঘাটগুলো ভাঙন ঝুঁকিতে আছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদুর রহমান জানান, ফেরিঘাট এলাকায় পরিদর্শন চালানো  হয়েছে এবং বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, যাতে ফেরি সচল রাখতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

প্রতিবছরের সমস্যা
২০১৪ সাল থেকে প্রতি বছরই দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙন দেখা দিচ্ছে। কিন্তু এখনো স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের

মতামত দিন