জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

জানা গেল কবে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীন জানিয়েছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হবে। তিনি এই তথ্য শনিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের জানান।

সিইসি বলেন, বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা অনেকটাই কমে গেছে। মানুষের ভোটকেন্দ্রে আসার আগ্রহ কমে যাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটকেন্দ্র বিমুখতা দূর করা এবং সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য।

নাসির উদ্দীন আরও বলেন, ‘মানুষ ভোটের দিন ছুটি থাকলেও অনেকে ঘুমিয়ে থাকেন, কারণ তাদের মনে হয় ভোট না দিলেও অন্য কেউ দিয়ে দেবে। এ মনোভাব পাল্টানো জরুরি।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, গত বছরের আগস্টের পর থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা অনেক উন্নত হয়েছে এবং নির্বাচনের সময় আরও ভালো পরিস্থিতি তৈরি হবে। নিরাপদ পরিবেশে সবাই নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে, এজন্য সংশ্লিষ্ট সকল বাহিনী কাজ করছে।

সিইসি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোকে নতুন ধরনের বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ বুঝতে না পারার মতো ভুয়া ভিডিও এবং বক্তব্য তৈরি হচ্ছে, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

তিনি জানান, প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের মধ্যে পরিবর্তনের পরিকল্পনা চলছে। সব জায়গায় শিক্ষকদের দায়িত্ব দেয়া নাও হতে পারে, বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে যাতে ভোট পরিচালনায় স্বচ্ছতা  বজায় থাকে।

সিইসি বলেন, ‘আমরা জাতির কাছে দায়বদ্ধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন আমাদের ইমানি দায়িত্ব। আমি কোনো পক্ষপাতিত্ব করব না, বরং আইনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করব।’

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ওই অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

মতামত দিন