তিস্তা নদীর ভাঙনে গৃহহীন হয়ে পড়া রংপুরের পরিবারগুলো সাহায্যের অপেক্ষায়।
তিনি আরও জানান, গত বছর ছয় থেকে সাতবার তার বাড়ি ভাঙার মুখে পড়েছে। গাছপালা, জমিজমা নদীতে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে মানুষজনের জায়গায় নতুন ঘর তৈরি করছে, তবে সরকারি সহায়তা না পেয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক ১০-১৫ দিনে নদী ভাঙনের ফলে প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি পরিবার বাসস্থান হারিয়ে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। যদিও সরকারিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ৫৫টি পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও অনেকেই তা পাননি। ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, চাল দিলে ক্ষতি কমে না, বরং বাড়িঘর পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের জন্য সহায়তা প্রয়োজন।
নদীপাড়ের বাসিন্দা আনছার আলী অভিযোগ করেন, নদী ভাঙার সময় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে, কিন্তু তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, শুকনো মৌসুমে এসব কাজ করলে ভাঙন রোধে বেশি ফল পাওয়া যেত।
ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন জানান, পাউবো থেকে ৬ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৫৫ পরিবারকে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হয়েছে। যারা বাদ পড়েছেন, তাদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত সহযোগিতা দেওয়া হবে। নগদ অর্থ সাহায্য দেওয়ার বিষয়েও কাজ চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত সহযোগিতার প্রয়োজন হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

মতামত দিন