জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘৩৬ জুলাই’ উদযাপনে জনতার ঢল।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে আজকের দিনটি যেন গণজোয়ারে রূপ নিয়েছে। সকাল থেকেই বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে সেখানে জড়ো হচ্ছেন হাজারো মানুষ—শিশু, তরুণ, বয়োজ্যেষ্ঠ সবাই।

কারণ, আজ ৩৬ জুলাই—গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে মূল আকর্ষণ ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ, যা বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় উপস্থাপন করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস।

এর আগে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর ছিল পুরো এভিনিউ। সাইমুম, কলরব, তাশফি, সোলস, ওয়ারফেজ, সায়ান, ইথুন বাবু  ও মৌসুমির গান ও পরিবেশনায় তৈরি হয় এক সম্পূর্ণ উৎসবমুখর পরিবেশ। দুপুরে ‘ফ্যাসিস্টের পলায়ন ক্ষণ’ উদযাপনের মধ্য দিয়ে দিবসটির তাৎপর্যকে স্মরণ করা হয়।

বৃষ্টি শুরু হলেও মানুষের উৎসাহে ভাটা পড়েনি। কেউ গাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন, কেউ ছাতা মাথায় ধরে এগিয়ে গেছেন মূল মঞ্চের দিকে। কারও কাঁধে জাতীয় পতাকা, কেউ আবার ধারণ করছেন জুলাই সনদের ব্যাজ। আন্দোলনের প্রথম সারির কর্মীদের মতে, এই দিবসের তাৎপর্য কেবল স্মরণে সীমাবদ্ধ নয়—এটি ভবিষ্যতের দিকনির্দেশকও।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘোষণাপত্র হবে একটি ঐতিহাসিক দলিল—যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রাজনৈতিক দল, শহীদ পরিবার ও আন্দোলনে আহতদের প্রতিনিধি ছাড়াও নানা শ্রেণিপেশার মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এই আয়োজনে।

আয়োজকদের মতে, এটি শুধু স্মরণ নয়, বরং গণমানুষের অধিকার ও মর্যাদার আন্দোলনের একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মহামিলন।

মতামত দিন