বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো তানভীরের মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সও দুর্ঘটনায়।
বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর আফসানের শেষ যাত্রাও যেন বিষাদের নতুন অধ্যায় হয়ে উঠল। সোমবার গভীর রাতে তাঁর মরদেহ গ্রামে নিয়ে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অ্যাম্বুলেন্স।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার নগর ভাদগ্রাম নয়াপাড়ার বাসিন্দা তানভীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। উত্তরার মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। রাতেই পরিবারের লোকজন মরদেহ বুঝে নিয়ে গ্রামের পথে রওনা দেয়। কিন্তু গাজীপুরের মৌচাক এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি আইল্যান্ডে ধাক্কা খায়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেয়। পরে হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং আরেকটি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে মরদেহটি গ্রামের পথে পাঠানো হয়।
নাওজোর হাইওয়ে থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাস্তায় দৃষ্টি সীমা কম থাকায় এবং অতিরিক্ত গতি অ্যাম্বুলেন্সটি উল্টে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত কেউ না থাকলেও তানভীরের স্বজনরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা এখনো জাতিকে শোকাহত করে রেখেছে। তার মাঝেই এমন দুর্ঘটনা যেন পরিস্থিতিকে আরও বেদনাদায়ক করে তুলেছে।এ যেন এক মৃত্যু যাত্রার দ্বিগুণ যন্ত্রণার গল্প—একটি শিশুর বিদায় ও সেই বিদায়ের পথেই আরেক বিপর্যয়।
মতামত দিন