বিশেষ ট্রেন নিয়ে বিভ্রান্তি অস্বীকার রেলওয়ের, বলছে—এটা নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) রেল মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, এ সিদ্ধান্ত ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, তা রেলওয়ের দীর্ঘদিনের বাস্তবতা এবং ইতিহাস উপেক্ষা করে করা হচ্ছে।
রেলওয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বৃহৎ জনসমাবেশ বা কর্মসূচির জন্য বিশেষ ট্রেন পরিচালনার নজির রয়েছে। নির্দিষ্ট ভাড়া প্রদান সাপেক্ষে এই ধরনের ট্রেন পরিচালনা করা রেলওয়ের একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া।
তারা আরও জানায়, এ ধরনের অনুমতি না দিলে সংশ্লিষ্ট রুটের নিয়মিত ট্রেনগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং টিকিটবিহীন যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে রেলওয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ বিশেষ ট্রেন চালু হলে দলীয় যাত্রীরা নির্দিষ্ট ভাড়া দিয়ে যাত্রা করতে পারে, এবং অন্যান্য সাধারণ যাত্রীদেরও অসুবিধা কমে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চার জোড়া বিশেষ ট্রেন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চলবে এবং এগুলোর জন্য নির্ধারিত রেক ব্যবহৃত হবে, যাতে অন্য কোনো নিয়মিত ট্রেনের যাত্রায় বিঘ্ন না ঘটে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ভাড়া অগ্রিম পরিশোধ করায় রেলের আয়ও বেড়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।
সবশেষে রেলওয়ে স্পষ্ট করে জানায়, ভবিষ্যতেও যেকোনো রাজনৈতিক দলের আবেদনের ভিত্তিতে অনুরূপ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারের কোনো সুযোগ নেই।

মতামত দিন