এনবিআরের আরও ৭ কর্মকর্তা বরখাস্ত।
বুধবার (১৬ জুলাই) এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (বোর্ড প্রশাসন-১) উম্মে আয়মান কাশমীর স্বাক্ষরিত আদেশে তৃতীয় দফার বরখাস্তের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রকাশ্যে কাগজ ছিঁড়ে ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ’ করেছেন, যা একজন সরকারি কর্মচারীর শৃঙ্খলা পরিপন্থী।
তৃতীয় দফায় বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন:
-
লোকমান হোসেন (কর পরিদর্শক, কর অঞ্চল-২)
-
নাজমুল হাসান (কর পরিদর্শক, আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট)
-
আব্দুল্লাহ আল মামুন (কর পরিদর্শক, আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট)
-
ছালেহা খাতুন সাথি (সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা)
-
রৌশনারা আক্তার (সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা উত্তর)
-
সালেক খান (সিপাই, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা দক্ষিণ)
-
বি এম সবুজ (প্রধান সহকারী, কর অঞ্চল-১৪, ঢাকা)
আগের দিন বরখাস্ত হওয়া ১৪ জন
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুই দফায় এনবিআরের ১৪ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।
প্রথম দফায় বরখাস্ত হন:
-
মাসুমা খাতুন (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-২)
-
মুরাদ আহমেদ (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-১৫)
-
মো. মোরশেদ উদ্দীন খান (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-কুষ্টিয়া)
-
মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-নোয়াখালী)
-
আশরাফুল আলম প্রধান (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-কক্সবাজার)
-
মো. শিহাবুল ইসলাম (উপ-কর কমিশনার, কর অঞ্চল-খুলনা)
-
মোসা. নুশরাত জাহান শমী (উপ-কর কমিশনার, কর অঞ্চল-রংপুর)
-
ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল (উপ-কর কমিশনার, কর অঞ্চল-কুমিল্লা)
দ্বিতীয় দফায় বরখাস্ত হন:
-
হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার (অতিরিক্ত কমিশনার, মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর)
-
সবুজ মিয়া (রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টম বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা উত্তর)
-
শফিউল বশর (রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, খুলনা)
-
সিফাত মরিয়ম (উপপরিচালক, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো প্রকল্প)
-
শাহাদত জামিল (দ্বিতীয় সচিব, এনবিআর)
-
মির্জা আশিক রানা (অতিরিক্ত কমিশনার, কর অঞ্চল-৮)
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বলছে, এ ধরনের আচরণ প্রশাসনিক শৃঙ্খলার জন্য মারাত্মক হুমকি। তাই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।

মতামত দিন