অস্ত্রের অর্থ ও উৎস কীভাবে এল আসিফের: প্রশ্ন সায়েরের।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে একটি গুলিভর্তি ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়েছে। রোববার সকালে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ।
ঘটনার পর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং তার আগ্নেয়াস্ত্রের বৈধ লাইসেন্স রয়েছে।
তবে এই দাবিকে ঘিরে ইতোমধ্যে নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রমাণ ও আয়কর রিটার্নের নিয়ম রয়েছে—যা উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ মাহমুদ পূরণ করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত।
তিনি বলেন, “ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে আবেদনকারীর নির্দিষ্ট পরিমাণ বার্ষিক আয় দেখানো এবং এনবিআরের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করা বাধ্যতামূলক। আসিফ মাহমুদের ক্ষেত্রেও কি তা মানা হয়েছে?”
এছাড়া লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও কীভাবে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা চেকপোস্টে গুলিভর্তি ম্যাগাজিন বহন করা হলো, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
সায়ের আরও বলেন, “যদি তিনি আয়কর ছাড়ের কোনো সুবিধা পান, তবে অস্ত্র ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং সেটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, সে প্রশ্নেরও উত্তর জানা জরুরি।”
এ বিষয়ে র্যাব, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া উচিত, বিশেষত যখন এতে উচ্চপদস্থ সরকারি উপদেষ্টার নাম জড়িত থাকে।
মতামত দিন