জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন জেলায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ উদযাপিত হলো ঈদুল আজহা।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের কয়েকটি জেলার শতাধিক গ্রামে শুক্রবার (৬ জুন) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। সকাল থেকে এসব এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁদপুর, সাতক্ষীরা, ভোলা, গাজীপুর, লালমনিরহাট, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, শেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জামালপুর, গাইবান্ধা, কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মুসল্লিরা নিজ নিজ ঈদগাহে জামাতে অংশ নেন।

চাঁদপুরের সাদ্রা দরবার শরিফসহ চার উপজেলার প্রায় ৪০টি গ্রামে সৌদি আরবের চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ঈদ উদযাপন হয়েছে।হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব, কচুয়া ও শাহরাস্তির বিভিন্ন গ্রামের মুসল্লিরা অংশ নেন স্থানীয় জামাতে।

সাতক্ষীরা সদরের কুশখালি ইউনিয়নের বাউখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের জামাত। ইমামতি করেন মাওলানা মহব্বত আলী। তিনি বলেন, "আমরা প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে থাকি।"

গাজীপুরের পূর্ব ডগরী এলাকায় আয়োজিত জামাতে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জন মুসল্লি অংশ নেন। তারা জানান, ঈদের নামাজ আগেভাগেই আদায় করলেও কোরবানির পশু জবাই সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার করবেন।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় কয়েকটি গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল  রেখে ঈদ উদযাপন করেন। উপজেলার তুষভাণ্ডার ইউনিয়নের সুন্দ্রাহবী মুন্সিপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয় জামাত।

শরীয়তপুরের ছয় উপজেলার প্রায় ৩০টি গ্রামে ঈদ উদযাপন করেন সুরেশ্বর দরবার শরিফের অনুসারীরা।

শেরপুরের ৭টি গ্রামে, প্রতিটি জামাতে আড়াই থেকে ৩ শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন,যার মধ্যে নারীরাও ছিলেন পর্দার ভেতরে। নামাজের পর তারা প্রীতিভোজে অংশ নেন।

জামালপুরের ইসলামপুর ও সরিষাবাড়ি উপজেলার ২০টি গ্রামে মুসল্লিরা ঈদ উদযাপন করেন।তাদের দাবি, বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে সেই অনুযায়ী ঈদ পালন বৈধ।

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ীর ২টি গ্রামে, দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের অনুসরণে আগেভাগেই ঈদ পালন করে আসছেন ৩০টি পরিবারের মুসল্লিরা।

মাদারীপুরে ২৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ সৌদি আরবের অনুসরণে ঈদ উদযাপন করেন। জেলার সবচেয়ে বড় জামাত হয় সদর উপজেলার তাল্লুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে।

ভোলার ৭টি উপজেলার ১৫টি গ্রামে প্রায় ৫ হাজার মানুষ শুক্রবার ঈদের জামাতে অংশ নেন।
এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারটি গ্রাম ও পটুয়াখালীর ২৫টি গ্রামেও আগেভাগেই ঈদ উদযাপন হয়।

ঈদ উদযাপনকারী মুসল্লিরা জানান, তারা ইসলামী শরিয়ার ব্যাখ্যা অনুযায়ী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চাঁদ দেখা গেলে সেই অনুযায়ী ঈদ পালন করেন।

মতামত দিন