ব্যাংকে রহস্যজনক হামলা: অচেতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, ভেতরে ভাঙচুর।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুর একটার দিকে কয়েকজন গ্রাহক ব্যাংকে প্রবেশ করে দেখেন প্রধান ফটকের সামনে এক ব্যক্তি পড়ে আছেন এবং ভেতরে আরও কয়েকজন নিজেদের অবস্থানে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। প্রত্যেকেই বমি করছিলেন। দ্রুত পুলিশে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখে, ক্যাশ কাউন্টারের সামনের কাঁচ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে।
অসুস্থদের মধ্যে শাখা ব্যবস্থাপক সৌমিক জামান খান ও নিরাপত্তাকর্মী কামাল হোসেনকে প্রথমে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। একই হাসপাতালে বাকিদেরও ভর্তি করা হয়।
কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আদনান আক্তার জানান, হাসপাতালে আনার সময় ব্যবস্থাপক অচেতন ছিলেন এবং দুজনই বমি করছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো চেতনানাশক জাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করে তাঁদের অচেতন করা হয়ে থাকতে পারে।
ঘটনার পরপরই কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ঠিক কীভাবে, কারা এবং কেন এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কোনো অপরাধীচক্র পরিকল্পিতভাবে চেতনানাশক প্রয়োগ করে ব্যাংক লুটের চেষ্টা চালিয়ে থাকতে পারে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

মতামত দিন