সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স দুর্নীতি: ৮ জনের ১৪১টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ।
রোববার (১ জুন) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
এই মামলার অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন—গোলাম কুদ্দুসের মেয়ে ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া ও তাসনিয়া কামরুন অনিকা, ছেলে মোস্তফা কামরুল সোবহান ও তার স্ত্রী শাফিয়া সোবহান চৌধুরী, নুর ই হাফজা এবং সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক সিএফও ও ভারপ্রাপ্ত সিইও মীর রাশেদ বিন আমান।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, একটি পরিবারের একাধিক সদস্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনায় থেকে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সেই অর্থ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
দুর্নীতির অভিযোগে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও শেয়ার অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে পারেন—এমন আশঙ্কায় এসব জব্দ করার আবেদন জানায় দুদক।
উল্লেখ্য, অভিযুক্তদের অন্যতম প্রয়াত চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস গত ২৫ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।
মতামত দিন