ব্যাঙ ধরার সময় অপহরণ, একদিন পর উদ্ধার ৫ উপজাতি তরুণ।
উদ্ধার হওয়া পাঁচ তরুণ হলেন—পাইসুইচিং মারমা, মংক্যউ মারমা, উসিংমং মারমা, থুইসামং মারমা ও চসিং মারমা। তারা সবাই চন্দ্রঘোনা থানার আমতলী পাড়ার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় বৃষ্টির পানিতে ব্যাঙ ধরতে ঘর থেকে বের হন ওই পাঁচজন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাঙ্গুনিয়ার লালারখীল এলাকায় পৌঁছালে সেখান থেকে ৫-৬ জন অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের অপহরণ করে। গহিন পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। পরদিন রাত ৯টার দিকে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছে মোবাইলে যোগাযোগ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না পেলে হত্যা করার হুমকিও দেয়।
ঘটনার পরপরই মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অপহৃতদের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে পদুয়া ইউনিয়নের বড়খোলা মগপাড়া ও মহিষেরবাম এলাকার গহিন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার বলেন, “তৎপরতা শুরু করার পর রাতেই অভিযান চালানো হয়। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে ত্রিপুরা সুন্দরী এলাকার গভীর জঙ্গলে গিয়ে পাঁচ তরুণকে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করি। সন্ত্রাসীরা তখন পালিয়ে যায়।”
তিনি আরও জানান,অপহরণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
মতামত দিন