জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের জন্য বিশেষ ট্রেন চলাচল শুরু আজ থেকে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের সুবিধার্থে আজ শনিবার (৩১ মে) থেকে শুরু হয়েছে রেলপথে বিশেষ ঈদযাত্রা। প্রথম দিন ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ধূমকেতু এক্সপ্রেসের মাধ্যমে এই যাত্রার সূচনা হয়।

ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষ পরিকল্পনায় এবার নিয়মিত আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০টি বিশেষ ট্রেন (পাঁচ জোড়া) চালানো হচ্ছে। আগের মতোই চলবে প্রতিদিনকার আন্তঃনগর ট্রেনগুলো, তবে ঈদের সময়কালে এসব ট্রেনের নির্ধারিত সাপ্তাহিক বন্ধের দিন (ডে অব) স্থগিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকায় কোরবানির পশুবাহী ট্রেন সেবার আওতায় ২ দিনে চলবে তিনটি ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন।

টিকিট কালোবাজারি এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনাসহ দেশের বড় বড় রেলস্টেশনগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি, র‍্যাব ও স্থানীয় পুলিশ সদস্যদের। যাত্রীদের টিকিট ছাড়া প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত যাত্রী চাহিদা মেটাতে ৪৪টি অতিরিক্ত কোচ যুক্ত করা হচ্ছে যাত্রীবাহী ট্রেনগুলোর সঙ্গে। এর মধ্যে পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপ থেকে আসবে ২৯টি মিটার গেজ কোচ এবং সৈয়দপুর ওয়ার্কশপ থেকে যুক্ত হবে ১৫টি ব্রডগেজ কোচ।

এ ছাড়া পূর্বাঞ্চলের ১৮টি মিটার গেজ ও পশ্চিমাঞ্চলের ৯টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভসহ মোট ২৭টি ইঞ্জিন  ঈদের যাত্রী পরিবহনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঈদযাত্রার টিকিট বিক্রি সম্পূর্ণ হয়েছে অনলাইন পদ্ধতিতে।৩১ মে থেকে শুরু হওয়া যাত্রার জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হয় ২১ মে। পর্যায়ক্রমে ১ জুনের টিকিট বিক্রি হয় ২২ মে, ২ জুনের টিকিট ২৩ মে, ৩ জুনের ২৪ মে, ৪ জুনের ২৫ মে, ৫ জুনের ২৬ মে এবং ৭ জুনের টিকিট বিক্রি হয় ২৭ মে।

যাত্রী সেবার মান নিশ্চিত করতে ঈদের আগের ১০ দিন ও পরের ১০ দিন—মোট ২০ দিন ট্রেন থেকে সেলুনকার (রেলকর্মীদের জন্য সংরক্ষিত বগি) সরিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে।

মতামত দিন